বাংলাদেশে লবণ গ্রহণ সাধারণত ডব্লিউএইচওর সুপারিশের চেয়ে বেশি। আচার, শুঁটকি, প্যাকেটজাত খাবার, নুডলস ও রেস্টুরেন্টের তরকারিতে লুকানো লবণ থাকে।

টেবিল লবণ কমিয়ে লেবু, রসুন, আদা, ধনেপাতা, মরিচ ও তেজপাতা দিয়ে স্বাদ বাড়ান। প্যাকেটজাত স্যুপ ও ইন্টারস্যান্ট খাবার সীমিত করুন এবং রান্নায় পরিমাপ করে লবণ দিন।

রোগী যদি ইতোমধ্যে ওষুধ খান, খাদ্য পরিবর্তন ওষুধের বিকল্প নয়—বরং সহায়ক। কিডনি বা হার্টের রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুসরণ করুন।