বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর বড় অংশই অসংক্রামক রোগ বা এনসিডি–সম্পর্কিত—যেমন হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, ক্যানসার ও দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট। এর অনেকটাই অকালমৃত্যু, যা পরিবার ও জাতীয় উৎপাদনশীলতায় চাপ ফেলে।

ঝুঁকির মূল উৎসগুলোর মধ্যে আছে তামাক ব্যবহার, অতিরিক্ত লবণ, পর্যাপ্ত ফল-সবজি না খাওয়া, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং স্থূলতা। অনেক মানুষ ফার্মেসি বা স্বচিকিৎসার ওপর নির্ভর করে, তাই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়মিত স্ক্রিনিং বাড়ানো জরুরি।

সচেতনতার প্রথম ধাপ হলো নিজের রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও ওজন পরিমাপ করানো; ধূমপান ও জর্দা ছাড়া; হাঁটা বা হালকা ব্যায়ামকে দৈনন্দিন রুটিন করা; এবং লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।